সিলেটের অভিজাত ফ্যাশন হাউসগুলোতে তরুণ-তরুণীদের ভিড়

রুচি আর চাহিদার সমন্বয় ঘটাতে তরুণ-তরুণীদের ভিড় এখন সিলেটের অভিজাত ফ্যাশন হাউসগুলোতে। দিনে-রাতে সমানতালে চলছে কেনাকাটা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এবারের ঈদ বাজারে দেশিয় সুতি পোশাকের চাহিদা বেশি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ফ্যাশন সচেতন তরুণ-তরুণীরা ট্রেন্ডি সুতির পোশাকের দিকে ঝুঁকছে। অভিজাত ফ্যাশন হাউসগুলোর পোশাক ডিজাইনে যেমন ভিন্নতা এনেছে তেমনি গুরুত্ব দিয়েছে সুতির পোশাককে। সালোয়ার কামিজ, টপস, লেহেঙ্গা, গাউন, ফরমাল শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট ইত্যাদি পোশাকে আরামদায়ক ফেব্রিকস সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়াও সুতি, লিনেন, সিল্ক, মসলিন ও খাদি পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

গোলাম রব্বানী দম্পতি কেনাকাটা করতে এসে জানান, গরম একটু বেশি হওয়ায় শিশুদের জন্য আরামদায়ক সুতির পোশাক কিনেছি। কারণ ঘুরেফিরে প্রশান্তি মিলে দেশি পোশাকেই।

হেলেন নামে একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, ‘দেশি-বিদেশি সব পোশাকের মাঝে সুতি কাপড়ের দিকেই সবার নজর।’

সিলেটের নয়াসড়কে জমে উঠেছে বেশ কিছু ফ্যাশন হাউস। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় এখানে। নানা পণ্যের পসরা সাজিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অধিকাংশ ফ্যাশন হাউসগুলো সাজানো হয়েছে তরুণ তরুণীদের কথা মাথায় রেখে। কেননা ক্রেতাদের একটি বড় অংশ বয়সে তরুণ। সবগুলো ফ্যাশন হাউসে সালোয়ার-কামিজ, লং ও শর্ট কামিজ এবং চিরাচারিত ঐতিহ্য বহনকারী শাড়ি তো আছেই।

দরগা গেইট এলাকার ব্যবসায়ী কর্ণধার জিয়া উদ্দিন জুয়েল জানান, ‘মূলত গরমের বিষয়টিকে মাথায় রেখে পোশাক সাজিয়েছি। টি-শার্ট এবং জিন্স প্যান্টের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। প্রতিবছরের মতো পোশাক নির্বাচনে আরামদায়ক দেশি কাপড়ের প্রাধান্য দিয়েছি। শিশুদের পোশাকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সুতির কাপড়কে।’

অন্যদিকে মাহা ফ্যাশন হাউজের স্বত্বাধিকারী মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম বলেন, ‘তরুণ-তরুণীদের চাহিদা অনুযায়ী বিদেশি ও দেশি পোশাকেই গুরুত্ব দিয়েছি। রুচিসম্মত পোশাক ও ক্রেতা সৃষ্টি করাই আমাদের মূল লক্ষ।’

ঈদের বাকি আর মাত্র কিছুদিন। উৎসবের আয়োজনের যেন কোন কমতি না পড়ে, তাই বর্ণিল কাপড়ের পসরা সাজিয়ে সিলেটের ঈদ বাজার এখন জমজমাট। বার্তা24