যার কাছে আজীবন ঋণি থাকবো

তাসলিমা খানম বীথি :
মানুষের কল্যানে কাজ করার স্বপ্ন দেখি আজীবন। সেই স্বপ্নকে হৃদয়ে লালন করে হেঁটে চলছি তখন ফ্রিডম হসপিটালে কাজ করার সুযোগ পাই। বিধাতা তো মানুষের হৃদয়ের সব কথা জানেন, শুনেন। কখনো কখনো অনেক অসম্ভব স্বপ্নকেও টেনে আনেন হৃদয়ের ভেতর থেকে। পরিমিত আলো দিয়ে প্রসারিত করে বাস্তবায়ন করেন। মানুষের সেবা করা স্বপ্নকে স্পর্শ করতে পেরেছি যার কারনে তিনি সেই স্বপ্নের কথা কখনো জানতেন না। সিলেটের সাংবাদিক পাড়ায় পরিচিত প্রিয়মুখ, শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব ইকবাল মাহমুদ। ফ্রিডম হসপিটালে যিনি আমার বস। হসপিটালে সবার এমডি স্যার।
জন্মদিনে সারপ্রাইজ দিতে ভালো লাগে সবসময়। স্যারের জন্মদিন যাতে নিরবে না চলে যায় তাই হসপিটালে কলিগদের বলি। ডিউটি শেষ করে বাসা চলে আসি। ভেবেছি কাজের চাপে তারা ভুলে যাবে। সন্ধ্যা হতেই কলগিদের কল। হসপিটালে গিয়ে সব আয়োজন আমাকেই করতে হবে। আমি আর জুনেল ভাই বের হই গিফট কিনতে। হসপিটালে তখন ওটি চলছে। দেরি হচ্ছে দেখে আমি চলে আসি হসপিটালে। সব রেডি করে এমডি স্যারকে কল দিতেই তিনি জানালেন আসতে দেরি হবে। তখনও তিনি জানতেন না। সারপ্রাইজ দিতে আমাদের অপেক্ষা প্রহর কাটে। অনেকেই ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফিরছে। রাত তখন সাড়ে ১০টা। আম্মা কল করতেই বললাম-হসপিটালে অ্যাম্বুলেন্সে চলে আসব। এদিকে রোগিদের সেবা চলছে। সার্জনদের ওটি আর ডাক্তারদের রাউন্ড চলছে।
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ…! এমডি স্যার এসে হসপিটালে ঢুকতেই জুনেল ভাই নিয়ে এলেন। রুমের লাইট জ¦ালাতেই তিনি আবেগাপ্লুত! সবাইকে নিয়ে কেক কাটলেন তিনি। হসপিটালে কাজ করতে গিয়ে যার কাছে আজীবন ঋণি থাকবো তিনি হলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সিলেট ওয়াচ এর সম্পাদক ফ্রিডম জেনারেল ইসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক ইকবাল মাহমুদ স্যারের সুস্থতা দীর্ঘজীবন কামনা করি।
এমডি স্যারের জন্মদিনে আয়োজনে যাদের ভালোবাসা আর সহযোগিতা ছিলো ফ্রিডম হসপিটালের জেনারেল ম্যানেজার ইসতাক আহমদ জুনেল, সহকারি জেনারেল ম্যানেজার মাসুদ রানা ও ফারুখ, আব্বাস ভাইসহ প্রত্যেক স্টাফদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ।
ফ্রিডম জেনারেল হাসপাতাল
এয়ারর্পোট রোড আম্বরখানা সিলেট
২২অক্টোবর ২০২০