মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান

শীর্ষ খবর সার্ভিস ক্লাব সিলেট

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা এমপির কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের পক্ষ থেকে সিলেট বিভাগের মহিলা ও শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবীতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে মন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন-মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট, সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, যুব সংগঠক কয়েছ আহমদ সাগর, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবীগুলো হচ্ছে-সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় একটি করে মহিলা বিনিয়োগ পল্লী স্থাপন, মহিলাদের উন্নয়নকল্পে বিভাগীয় শহর সিলেটে একটি তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, সিলেটে একটি কর্মজীবি মহিলা হোস্টেল স্থাপন, একটি বিভাগীয় শিশু অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, অটিষ্টিক শিশু একাডেমী স্থাপন, বিভাগীয় সমাজ কল্যাণ ভবন স্থাপন, আধুনিক শিশু হাসপাতাল স্থাপন, আধুনিক শিশু সদন স্থাপন, আধুনিক প্রতিবন্ধী শিশু নিবাস স্থাপন, প্রতিবন্ধী হাসপাতাল স্থাপন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় একটি করে জেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন, ৪ টি জেলায় জেলা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন, বাংলাদেশের শিশুদের উন্নয়নকল্পে ২০১৩ ইং সনে (২৪ নং আইন) শিশু আইন ও শিশু আদালত আইনের বিচারিক প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংস্কার, শিশুদের উন্নয়নকল্পে ১৮৯০ সালে (৮ নং আইন) প্রণীত অভিভাবকত্ব আইন সংশোধন করে নাবালক শিশুদের কিংবা লাওয়ারিশ-বেয়ারিশ শিশুদের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবক নিয়োগের সুস্পষ্ট ও সহজ প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি প্রণয়নের ব্যবস্থা, ১৮৭৫ সালের (৯ নং আইন) প্রণীত সাবালকত্ব আইন, ১৯২৯ সালে (১৯ নং আইন) প্রণীত বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ১৯৩৩ সালে (২ নং আইন) শিশু শ্রম আইন সংশোধন অথবা নতুন আইন প্রণয়ন করে শিশু/কিশোর/যুবক-যুবতী/প্রাপ্ত বয়স্ক বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক/সাবালক/নাবালক/নবীণ-প্রবীণ-এর সুদির্নিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করা, ২০০০ ইং সনে (৮ নং আইন) প্রণীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সময় উপযোগী করে সংশোধন ও আধুনিকায়ন করা, বাংলাদেশের শিশুদের উন্নয়নে শিশু জন্মের ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদানের ব্যবস্থা, প্রচলিত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, নবীণ-প্রবীণ, শ্রমিক, প্রাপ্ত-অপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট প্রচলিত সকল আইন রদ রহিত করে ফৌজদারী দন্ড বিধি ও কার্যবিধির ন্যায় মানুষের অধিকার সুরক্ষার জন্য যুগপোযোগী করে একত্রে ‘মানুষ নির্যাতন প্রতিরোধ ও সুরক্ষা’ আইন ও কোড প্রণয়ন, সাম্প্রতিককালে শিশুর কল্লাকাটা বা শিশু অপহরণে গুজবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত অনাকাংখিত ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক মতবিনিময়ের ব্যবস্থা, প্রচার ও প্রকাশ ইত্যাদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *