ইবোলামুক্ত হয়েছে গিনি

আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর সাস্থ্য

এ সময় গিনির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রেমি লামহা বলেন, ‘গিনি ইবোলামুক্ত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আলফা কোন্ডের পক্ষ থেকে আজ আমি এই ঘোষণা দিচ্ছি।’ তিনি জানান, গিনি ও কঙ্গোতে এর আগেও ইবোলার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই অভিজ্ঞতার আলোকে এবার অল্প সময়ের মধ্যে সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরা গেছে।

২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা মহামারিতে ১১ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান। এ ভাইরাসের উদ্ভব হয়েছিল গিনি থেকে। ২০১৪ সালে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়ায় ইবোলা ভাইরাস। এই ভাইরাস গিনি, লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে ইবোলার লক্ষণ হিসেবে বলা হয়, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে হঠাৎ করে প্রচণ্ড জ্বর হয়। খুব দুর্বল লাগে। মাংসপেশিতে খুব ব্যথা হতে থাকে। গলাব্যথাও হয়।

এর পরবর্তী ধাপ হলো বমি ও ডায়রিয়া দেখা দেয়। শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তপাত হতে থাকে। সরাসরি আক্রান্ত ব্যক্তির কেটে যাওয়া ত্বক, মুখ, নাক বমি, রক্ত, মল বা শরীরের অন্য ধরনের তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হতে পারে।